গতকাল বুধবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম তাসনিম হরমুজ প্রণালিকে শুধু জ্বালানি সরবরাহের পথ হিসেবেই নয়, বরং সাবমেরিন কেব্লের একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডর হিসেবেও উল্লেখ করেছে।এ পথ দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর ইন্টারনেট সংযোগের মূল কেব্লগুলো গেছে।
প্রতিবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, পারস্য উপসাগরের দক্ষিণের দেশগুলো ইন্টারনেটের জন্য ইরানের তুলনায় অনেক বেশি সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরশীল।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, তাসনিমের প্রতিবেদনটি সাধারণ কোনো কারিগরি তথ্য নয়; বরং এটি ওই অঞ্চলের কেব্ল, ল্যান্ডিং স্টেশন এবং ডেটা সেন্টারগুলোকে চলমান সংঘাতের কৌশলগত চাপের উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বিশেষ করে আরব আমিরাত এবং বাহরাইনে অবস্থিত ক্লাউড ও ডেটা সেন্টার অবকাঠামোর দিকে ইঙ্গিত করে ইরান বুঝিয়ে দিয়েছে যে এসব স্থাপনায় বিপর্যয় ঘটলে তার অর্থনৈতিক ও যোগাযোগগত প্রভাব হবে ভয়াবহ।
তাসনিমের প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বন্দর, জাহাজ চলাচলের পথ এবং জ্বালানি স্থাপনার পাশাপাশি এখন সাবমেরিন কেব্ল ও আঞ্চলিক ডেটা সেন্টারগুলোও ইরানের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্ত হয়েছে।
এ সতর্কবার্তা এমন এক সময় এল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্র ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ডিজিটাল অবকাঠামোর ওপর এরই মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আরব আমিরাত ও বাহরাইনে আমাজন ওয়েব সার্ভিসের স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক ক্লাউড অবকাঠামোর নিরাপত্তাঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, বন্দর, জাহাজ চলাচলের পথ এবং জ্বালানি স্থাপনার পাশাপাশি এখন সাবমেরিন কেব্ল ও আঞ্চলিক ডেটা সেন্টারগুলোও ইরানের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন