সরকার যখন ফুয়েল কার্ড চালু করেছিল, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনা এবং অবৈধ বা নিবন্ধনহীন যানবাহনকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা। কিন্তু পাচ্চর পাম্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে যদি লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন বিহীন বাইকাররা অনায়াসেই তেল নিতে পারে, তবে পুরো প্রক্রিয়ার নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।
যারা নিয়ম মেনে কার্ড করেছেন, তারা মূলত নিচের বিষয়গুলোর আশা করেছিলেন:
কিন্তু যখন দেখা যায় কোনো নিয়ম ছাড়াই তেল পাওয়া যাচ্ছে, তখন কার্ডধারীদের মনে হওয়া স্বাভাবিক যে তাদের এই কষ্ট বা নিয়ম মানার কোনো অতিরিক্ত "ভ্যালু" নেই। এটি মূলত সিস্টেমের এনফোর্সমেন্ট বা প্রয়োগের অভাব।
১. তদারকির অভাব: উপজেলা প্রশাসন থেকে কার্ড বিতরণ করা হলেও পাম্পগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা না করলে পাম্প মালিকরা বিক্রির স্বার্থে নিয়ম শিথিল করে দেয়।
২. পাম্প কর্তৃপক্ষের অনীহা: অনেক সময় পাম্প কর্মচারীরা ঝামেলা এড়াতে বা দ্রুত বিক্রির উদ্দেশ্যে কার্ড যাচাই না করেই তেল দিয়ে দেয়।
৩. নিবন্ধনহীন বাইকের আধিক্য: এলাকায় প্রচুর পরিমাণে নিবন্ধনহীন বাইক থাকায় তাদের একেবারে তেল দেওয়া বন্ধ করলে স্থানীয় পর্যায়ে বিশৃঙ্খলার ভয়ও কাজ করে।
যদি ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা বা ফুয়েল কার্ডকে সফল করতে হয়, তবে:
উপজেলা পর্যায় থেকে এতো ঘটা করে কার্ড দেওয়ার পর তার যথাযথ প্রয়োগ না হওয়াটা আসলেই প্রশাসনের জন্য একটি নেতিবাচক উদাহরণ।
মন্তব্য করুন